জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে সামনে রেখে জি-৭ ভুক্ত শিল্পোন্নত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের “অস্ত্র সরবরাহ ও সমর্থন বন্ধ করতে হবে”।
সৌদি আরবের ওপর হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার “কঠোর নিন্দা” জানিয়েছে জি-৭ জোট। বিবৃতিতে বলা হয়, ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সাম্প্রতিক তীব্রতা আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিকটবর্তী লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকা ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি দখল করার পর সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হাজার হাজার শরণার্থী ইয়েমেন ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তবে ইরান অতীতেও হুতিদের অস্ত্র সরবরাহের কথা অস্বীকার করেছে এবং তাদের দাবি, তারা হুতিদের কেবল রাজনৈতিকভাবে সমর্থন করে।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ভাষণের ঠিক আগেই জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর এই যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হলো।যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “আমরা হুতিদের অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক অভিযান, বেসামরিক নৌ চলাচলে হুমকি ও হামলা বন্ধ করার এবং সৎ নিয়তে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি”।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “তাদের এই নিন্দনীয় কর্মকাণ্ড চরম উত্তেজনার একটি বিপজ্জনক ধারা তৈরি করছে, যা সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে বিঘ্নিত করছে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে”।পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, “সামনের দিনগুলোতেও আমরা ইয়েমেনের বৈধ সরকারকে সমর্থন জুগিয়ে যাব এবং ইয়েমেনের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি”।

জ্যামাইকার প্রথম মুসলিম নারী পাইলট হাসানাহ আল-সাবা
ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২৪০০, শান্ত থাকার আহ্বান ম্যাক্রোঁর