রামলীলা ময়দানের সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে অবৈধ বলে দাবি করেন। তার অভিযোগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকার কারণে নির্বাচনে ভোট চুরি হয়েছে।
রাহুল বলেন, ‘এই ভোট চুরি কোনো সাধারণ চুরি নয়। এটি ভারতের প্রতিটি মানুষের কণ্ঠস্বর চুরি। একে রাষ্ট্রদ্রোহ বলা হয়।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার না থাকলে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না। নির্বাচনী অনিয়মে ভূমিকার জন্য জ্ঞানেশ কুমারকে কারাগারে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর জবাবে সম্বিত পাত্র বলেন, রামলীলা ময়দানে দাঁড়িয়ে নির্বাচন অবৈধ বলে অভিযোগ করলেই তা প্রমাণিত হয় না। নির্বাচন নিয়ে আপত্তি থাকলে যথাসময়ে আইনি আবেদন করার আহ্বান জানান তিনি।
পাত্র বলেন, ‘নির্বাচনের পরপরই চ্যালেঞ্জ জানাতে হয়, এভাবে নয়। ২০২৪ সালের নির্বাচন অবৈধ— এমন অভিযোগে আপনারা যে আবেদন করেছেন, সেটি দেখান।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ ছিল রোববারের সমাবেশ। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠার পর থেকে এ আন্দোলন চালিয়ে আসছে বিরোধীরা।

৩ দিনের সফরে দক্ষিণ কোরিয়ায় এরদোগান
ইরানে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ছড়িয়ে পড়বে ইউরোপেও
রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা