সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভুচিচ সরকারপন্থি গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে দেশজুড়ে সফর করেছেন। তিনি নতুন সড়ক উদ্বোধন করেছেন, আর্থিক সহায়তা ও ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন এবং ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন।
সার্বিয়ায় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের চেয়ে বেশি নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী। তবে ভুচিচ তার দুই মেয়াদে দেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি মাঝে মাঝে সরকারি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা নিয়মিত ঘোষণা করতেন।
ভুচিচ ও তার দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, সংগঠিত অপরাধ চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সমালোচনামূলক গণমাধ্যমসহ গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার ওপর দমনপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এসএনএস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দলটি বারবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ধীরে ধীরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে।
ছাত্র-সমর্থিত নির্বাচনী তালিকায় স্বল্প পরিচিত বিশেষজ্ঞ, অধ্যাপক, শিক্ষক, ক্রীড়াবিদ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ রয়েছেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি বন্ধের দাবিতে প্রচারণার অংশ হিসেবে ছাত্রদলগুলো সাইকেলে করে দেশজুড়ে ভ্রমণ করছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, গণভোটের মতো আবহে ছাত্র-সমর্থিত আন্দোলন ও ভুচিচের দল জনমত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনে ভুচিচের মিত্র সোশ্যালিস্ট পার্টি, ইউরোপপন্থী বিরোধী জোট এবং আরও কয়েকটি ছোট দলও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
কর্তৃপক্ষ পুলিশি সহিংসতা ও আটকের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের দমন করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ভুচিচ কোনো প্রমাণ না দিয়েই তার বিরোধী ও সমালোচনাকারী গণমাধ্যমকে অনির্দিষ্ট বিদেশি প্রভাবের মাধ্যমে রাষ্ট্র ধ্বংসের চেষ্টা করার অভিযোগ করেছেন।

জ্যামাইকার প্রথম মুসলিম নারী পাইলট হাসানাহ আল-সাবা
ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২৪০০, শান্ত থাকার আহ্বান ম্যাক্রোঁর