২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।
মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের দিনই পল্লবী থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের নথি বিচারিক আদালতে জমা দিয়েছিলেন গাজী নজরুল ইসলাম।
রোববার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিননামা দাখিল করেন। এর আগে ১০ আগস্ট হাইকোর্ট ওই মামলায় তাকে আট সপ্তাহের জামিন দেন।
গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান ২১ জুলাই পল্লবী থানায় মামলাটি করেন। এতে গাজী নজরুল ইসলাম ছাড়াও আমিনুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ, মোতাসসিম বিল্লাহ ও রাকিবুল হাসানকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে ওবায়দুরকে মারধর এবং গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগ্নির সম্পর্কের বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

সিলেট এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় টমেটো চালান আটক
হিরো আলমের কাছে চাঁদা দাবি, সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
রিমান্ডে নেওয়ার আগে আনিসুল হক, ইনুসহ চারজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা