ঘরের মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। লখনউয়ের অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ শামির বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ২৬ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে অরেঞ্জ আর্মি। ট্রাভিস হেড (৭) ও অভিষেক শর্মার (০) মতো তারকাদের দ্রুত বিদায়ে গ্যালারিতে স্তব্ধতা নেমে আসে।
বিপর্যয়ের মুখে দলের হাল ধরেন হেইনরিখ ক্লাসেন এবং তরুণ তুর্কি নীতিশ কুমার রেড্ডি। ক্লাসেনের ৬২ (৪১ বল) এবং নীতিশের ঝোড়ো ৫৬ (৩৩ বল) রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৬ রান সংগ্রহ করে হায়দরাবাদ। লখনউয়ের পক্ষে মোহাম্মদ শামি মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন।
১৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে লখনউ শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করতে থাকে। দলের হাল ধরেন অধিনায়ক রিশভ পান্ত। তিনি ৫০ বলে ৬৮ রানের একটি ধৈর্যশীল ও কার্যকর ইনিংস খেলেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন এইডেন মার্করাম, যিনি মাত্র ২৭ বলে ৪৫ রানের একটি ক্যামিও ইনিংস উপহার দেন।
ম্যাচটি শেষ ওভার পর্যন্ত গড়ায়। সানরাইজার্সের বোলার হর্ষ দুবে ও শিবাং কুমার চেষ্টা করলেও লখনউয়ের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের আটকাতে পারেননি। ১ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:
-
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: ১৫৬/৯ (২০ ওভার)
-
ক্লাসেন ৬২, নীতিশ রেড্ডি ৫৬; শামি ২/৯।
-
-
লখনউ সুপার জায়ান্টস: ১৬০/৫ (১৯.৫ ওভার)
-
রিশভ পান্ত ৬৮, মার্করাম ৪৫; হর্ষ দুবে ২/১৮।
-
ফলাফল: লখনউ সুপার জায়ান্টস ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচ সেরা: মোহাম্মদ শামি
