২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক বড় ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তনের ঢেউ লাগে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় আমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব এবং বোর্ডের ভেতরকার অস্থিরতা নিয়েই এই বিশেষ প্রতিবেদন।
তামিম ইকবালের আগমন: নতুন অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে তামিম ইকবালের নাম আসায় ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
তদন্ত কমিটির সুপারিশে গঠিত এই কমিটিতে বিভিন্ন খাতের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যুক্ত করা হয়েছে:
-
তানজিল চৌধুরী (চেয়ারম্যান, প্রাইম ব্যাংক)
- সালমান ইস্পাহানি (চেয়ারম্যান, ইস্পাহানি লিমিটেড)
- রফিকুল ইসলাম (কর্মকর্তা, ইন্দিরা রোড ক্রীড়াচক্র)
- ফাহিম সিনহা (পরিচালক, এক্মি ল্যাবরেটরিজ)
অবস্থা দৃষ্টে বুঝা যায় মাঠের ক্রিকেট এবং খেলোয়াড়দের উন্নয়নের চেয়ে বিসিবির ‘চেয়ার দখল’ বা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার লড়াই প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন মানেই বিসিবির আমূল পরিবর্তন। এই দুষ্টচক্র থেকে বের হতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে ক্রিকেটের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন আবারো আইনি লড়াই এবং রাজনৈতিক মেরুকরণের মুখে। একদিকে নতুন অ্যাডহক কমিটির সংস্কারের প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে বিদায়ী কমিটির বৈধতার লড়াই—মাঝখানে অনিশ্চয়তার মুখে দেশের ক্রিকেট।
