বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ বাদ জোহর সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, কার্ডিওলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শফিউদ্দিন আহমেদ, ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. লোহানী মো. তাজুল ইসলাম, ডা. সিফাত, ডা. ফিরোজ, ডা. রাজ্জাক, ডা. হিমেল, ডা. সাব্বির, ডা. আরিফ, ডা. ইলিয়াস, ডা. শুভ, ডা. পাভেল, চিফ ফিজিওথেরাপিস্ট মহসিন আকন্দ, সজল, তানভীর হাসান, ছাত্রদল নেতা মুশফিক, শাহ পরান, মিরাজ হোসেন, মহিউদ্দিন মাহি, তিহান, প্রলয়, তারেকসহ নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. আউয়াল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন রুহুল কবির রিজভী। নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে টানা ৭৮৭ দিন ছিলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হওয়ার পরেই তিনি বাসায় যান। সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রুহুল কবির রিজভী। গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মাকে ভালোবাসতে যেয়ে নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখেন নাই। ১৯৮৪ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বৈরাচার এরশাদের গুলিবরণ করেছেন কিন্তু আপোস করেন নাই তিনি। নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করার জন্য বিরামহীন পরিশ্রম করতে যেয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ভাইরাল নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হন। আজীবন দল অন্তঃপ্রাণ রুহুল কবির রিজভীর পরিপূর্ণ সুস্থতা এবং জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় আজকের এই দোয়া মাহফিল থেকে দেশবাসীর কাছে কায়মনোবাক্যে দোয়া প্রার্থনা করছি।’
