জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে ইয়েমেনে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৯৬ জনের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
শনিবার রিয়াদে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এএফপির এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, আরামকোর একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন দেখা যায় এবং দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। হামলার আগে রিয়াদ ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। পরে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানায়।
হুতিরা একই সময়ে ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোকা এবং পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবিও করেছে। তাদের ভাষ্য, ইয়েমেনে হুতি-নিয়ন্ত্রিত বন্দর ও বিমানবন্দরের ওপর সৌদি অবরোধের জবাব হিসেবেই সমুদ্রপথে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
লোহিত সাগরের এই সমুদ্রপথ সৌদি আরবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালিতে চলমান সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সৌদি তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে লোহিত সাগরীয় রুটের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
এদিকে, জেপি মরগান জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধের পরিণতি এখনও অনিশ্চিত হওয়ায় ভবিষ্যতে তেলের দামের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। সংঘাত শেষ পর্যন্ত কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছাবে, সেটিও এখন স্পষ্ট নয়।

জ্যামাইকার প্রথম মুসলিম নারী পাইলট হাসানাহ আল-সাবা
ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিলেন ট্রাম্প
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২৪০০, শান্ত থাকার আহ্বান ম্যাক্রোঁর