মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায়ের (প্রথম সংশোধিত) প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৯৭ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ দশমিক ৯১ শতাংশ; ভৌত অগ্রগতি ৯৪ শতাংশ। মন্ত্রণালয়ের মতামত তুলে ধরে নথিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পের আওতায় থানা নির্মাণ, ৭ মার্চের ভাষণ ও ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক স্থান দুটিতে ভাস্কর্য নির্মাণের পরিবর্তে ওয়াটার ফাউন্টেন স্থাপন করা হবে। এজন্য নকশা পরিমার্জনের কথাও বলা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ‘হলোগ্রাফিক থ্রিডি’ উপস্থাপনার বিষয়বস্তুতে পরিবর্তন আনার কথাও বলা হয়েছে নথিতে। ৭ মার্চের ভাষণ ও পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানটির অবস্থান উদ্যানের উত্তর-পশ্চিম কোণায়। ছবির হাটের ফটক দিয়ে ঢুকে কয়েক কদম এগোলেই হাতের বাঁয়ে স্থানটি পড়ে। ভাস্কর্য নির্মাণের স্থান টিন দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। ভেতরে রয়েছে নির্মাণাধীন কিছু অবকাঠামো।

সাইবার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন আইন সংশোধনের চেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী
ঘুম থেকে উঠে দেখি উপদেষ্টা হয়ে গেছি: সাবেক উপদেষ্টা খালিদ
সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন: স্পিকার