অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, আদালতে তাজমিনকে কক্সবাজারে নিয়ে আসা ও ধর্ষণের অভিযোগ উপস্থাপন করা হলে আদালত মামলার নির্দেশ দেন। পরে সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মূলত রাজু প্রতারণা করে হোটেল মালিকের ছেলের পরিচয়ে তাজমিনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। পরে তাকে ফুসলিয়ে কক্সবাজারের নিয়ে আসে। আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে নাম লেখেন ‘তানজু আক্তার’, বয়স ১৮ বছর; পরিচয় দেওয়া হয় রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুর স্ত্রী হিসেবে।
এর আগে কুমিল্লায় জান্নাতুল তাজমিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিয়াজ উদ্দিন রাজুকে গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার পুলিশ।
গত সোমবার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশের কাছে রাজুকে হস্তান্তর করে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ। পরে আইনগত জটিলতা দেখিয়ে কুমিল্লা পুলিশ আবারও রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কক্সবাজার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে শহরের কলাতলীর লুলুয়া রিসোর্টের সামনে থেকে কক্সবাজার পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাজুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার রাজু বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বড়ছনখোলা এলাকার মনির আহমেদের ছেলে।
গত ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার ভোরালজগতপুর উত্তরপাড়ার একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সারা দেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই তাজমিনের ধর্ষক ও হত্যাকারী সিএনজিচালক সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
হাদী হত্যার বিচারে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, হত্যাকাণ্ডে ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ইনকিলাব মঞ্চের
থানায় ঢ়ুকে তিন পুলিশকে পেটানোর অভিযোগে আসলাম গ্রেপ্তার