বগুড়ায় ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তারের ২১ দিন পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। কারাগার থেকে বের হয়েই তিনি দাবি করেন, নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য তাকে গ্রেপ্তারের ষড়যন্ত্র করা হয়।
বুধবার (১১ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া জেলা কারাগার থেকে বের হন হিরো আলম। এ সময় ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেয় তার সন্তানরা। এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা এলাকা থেকে হিরো আলমকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
জেলগেটে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে হিরো আলম বলেন, আমাকে হয়রানি করার জন্যই এই মামলা সাজানো হয়েছে। গত বুধবারই আমার জামিন হয়েছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে অন্য মামলায় আমাকে আরও এক সপ্তাহ আটকে রাখা হয়। বগুড়া সদর আসনের উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়ার কারণেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
বর্তমান কারা কর্মকর্তাদের ব্যবহারের প্রশংসা করে হিরো আলম জানান, কারাগারে থাকাকালীন তিনি আলোচিত যুবলীগ নেত্রী পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন, রাজশাহীর সাবেক এমপি এনামুল হক এবং সাবেক ওসি প্রদীপের দেখা পেয়েছেন।
আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, ভেতরে অনেক মানুষ মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর হাজতবাস করছেন। তারা সঠিক বিচার পাচ্ছেন না। সঠিক তদন্ত ছাড়াই এভাবে আটকে রাখা একটি পরিবারের জন্য ধ্বংসাত্মক।
হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলার সূত্র বলছে, নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে হিরো আলমের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে গত বছরের ২১ এপ্রিল মামলাটি করা হয়েছিল। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়া শহরের শাজাহানপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
