ভুক্তভোগী নারীরা জানান, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপবাদ দিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। জোরপূর্বক তাদের তুলে এনে মারধর ও লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এই অন্যায়ের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে ইয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে সোমবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত তিন নারীর বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইয়ারুল ইসলামের দাবি, অভিযুক্ত নারীরা কবিরাজের মাধ্যমে তার মেয়েকে কুফরি কালাম করেছেন, যার ফলে তার মেয়ে শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। তবে তিন নারীকে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ করার বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত যুবদল কর্মী জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হান্নান জানান, তিন নারীকে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অসুস্থ স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও ভূমি মন্ত্রী দেখতে হাসপাতালে গেলেন রিজভী
বুকে ব্যথা নিয়ে এবার হাসপাতালে ভর্তি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আব্দুল মঈন খান
বাদাম বেচি, আলহামদুলিল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলাইছ, আর কী লাগে!’… জীবন সার্থক