নবী করিম (সঃ) মদিনায় হিজরতের পর মুসলিমদের অস্তিত্ব যখন হুমকির মুখে ছিল, তখন আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বাধীন কুরাইশ কাফেলার গতিরোধ করতে গিয়ে যু”দ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়। এটি ছিল সত্য ও মিথ্যার মধ্যে প্রথম বড় লড়াই।
বদর যু”দ্ধে দুই পক্ষের মধ্যে শক্তির বিশাল ব্যবধান ছিল:
মুসলিম বাহিনী: সংখ্যায় মাত্র ৩১৩ জন। তাঁদের সাথে ছিল মাত্র ২ জন অশ্বারোহী এবং ৭০টি উট।
কুরাইশ বাহিনী: সংখ্যায় ১০০০ জন। তাঁদের অস্ত্রশস্ত্র এবং যু”দ্ধ সরঞ্জাম ছিল অনেক বেশি উন্নত।
অল্পসংখ্যক সৈন্য এবং পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাব থাকা সত্ত্বেও মুসলিম বাহিনী আল্লাহর বিশেষ সাহায্যে মক্কার শক্তিশালী কুরাইশ বাহিনীকে পরাজিত করে। যু”দ্ধে কুরাইশদের বড় বড় নেতা (যেমন: আবু জাহেল, উতবা, শায়বা) নিহত হয়।
এই যু”দ্ধে জয়ী না হলে ইসলামের অস্তিত্ব চিরতরে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইমানের এই বিজয় প্রমাণ করে যে, কেবল বাহ্যিক শক্তি নয় বরং আল্লাহর ওপর বিশ্বাস (ইমান) ও অটল মনোবল থাকলে বিজয় সম্ভব।
এই বিজয়ের ফলে আরবের অন্যান্য গোত্রগুলোর কাছে মুসলিমদের শক্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
প্রতি বছর ১৭ রমজান সারাবিশ্বের মুসলিমরা ইবাদত, দোয়া এবং আলোচনার মাধ্যমে দিনটি পালন করেন। এটি মূলত ধৈর্য, সাহস এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার শিক্ষা দেয়।
”নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেছেন বদর যুদ্ধে, অথচ তোমরা ছিলে হীনবল।” (সূরা আল-ইমরান, আয়াত: ১২৩)
