ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাবেক শিক্ষার্থী নেতা শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি-কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থীর ফেসবুক পোস্টে ইমির রাজনৈতিক জীবন, সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড এবং ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে নানা অভিযোগ ও সমালোচনা উঠে এসেছে।
পোস্টটি করেছেন ইমির এক সময়ের জুনিয়র পরিচয়ে পরিচিত সুচিস্মিতা তিথি। দীর্ঘ ওই পোস্টে তিনি দাবি করেন, একসময় ইমির সমর্থক ও ঘনিষ্ঠদের অনেকেই এখন তার থেকে দূরে সরে গেছেন। এর পেছনে ইমির আচরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কার্যকলাপকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঢাকসু নির্বাচন ২০১৯-এ ইমি শামসুন্নাহার হল থেকে বিপুল ভোটে সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় আসেন। ছাত্ররাজনীতি ও বিভিন্ন ইস্যুতে বক্তব্য দেওয়ার কারণে গণমাধ্যম ও টকশোতেও তার উপস্থিতি ছিল।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির সময় ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কমে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নেতার মতো ইমিও ধীরে ধীরে আলোচনার কেন্দ্র থেকে সরে যান। পরে তার ফেসবুক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বলে দাবি করা হয়েছে।
পোস্টে আরও বলা হয়, ইমির ঘনিষ্ঠ অনেকেই তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কিছুদিন বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে সেই পরামর্শ তিনি গ্রহণ করেননি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক এক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি শিক্ষার্থী আটক হওয়ার ঘটনায় থানার সামনে অবস্থান নিয়ে মাইক ব্যবহার করে বক্তব্য দেন ইমি। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়।
পোস্টের লেখক দাবি করেন, ইমির উচিত কিছুদিন বিরতি নিয়ে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নতুনভাবে মনোযোগ দেওয়া। একই সঙ্গে নারী ও শিশু অধিকার সংক্রান্ত কাজে তাকে সম্পৃক্ত করা হলে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।
