মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আজ অলিখিত ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ও নির্ণায়ক এই ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৯০ রানের লড়াকু স্কোর সংগ্রহ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। টাইগারদের এই বড় সংগ্রহের মূল নায়ক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম, যার ব্যাটে এসেছে ঝকঝকে এক সেঞ্চুরি।
উড়ন্ত ওপেনিং জুটি
টস ভাগ্য সহায় না হলেও ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ১৭.৪ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ১০০ রান যোগ করেন। সাইফ ৩৬ রান করে শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হলে ভাঙে ১০৫ রানের এই ওপেনিং জুটি।
তানজিদ তামিমের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি
চলতি সিরিজে দারুণ ফর্মে থাকা তানজিদ তামিম আজ ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে রূপান্তর করেন। মাত্র ৯৮ বলে ছক্কা মেরে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন এই বাঁহাতি ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বল খেলে ১০৭ রান করে আবরার আহমেদের শিকার হন তিনি। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি দর্শনীয় ছক্কার মার।
মিডল অর্ডারের লড়াই
তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রান করে হারিস রউফের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন। এরপর লিটন দাস ৫১ বলে ৪১ রানের ধীরস্থির ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন। তবে শেষ দিকে তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ (৪৪ বল) রানের ক্যামিও ইনিংসটি বাংলাদেশকে তিনশ’র কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাহায্য করে। আফিফ হোসেন ৫ রানে দ্রুত বিদায় না নিলে স্কোরবোর্ড হয়তো ৩০০ ছাড়িয়ে যেত।
বোলিং পরিসংখ্যান
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন হারিস রউফ। তিনি ৫২ রান খরচ করে শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া আবরার ও শাহিন আফ্রিদি একটি করে উইকেট নেন।
