হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আনসার আলী বলেন, ‘ওসমান গনি ও আবুল বাশারের মধ্যে জমি নিয়ে মামলা চলছে। ওই মামলায় সাক্ষী হওয়ার কারণেই কাটাখালী গ্রামের আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাশার ও তার মেয়ে জামাই আমাকে মেরেছেন।’
মামলার বাদী ওসমান গনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের কাছ থেকে আবুল বাশার গোপনে একটি জমির দলিল করে নেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমি পিরোজপুর আদালতে টাকা দাখিল করি। ওই মামলার সাক্ষী আনসার আলী। বাশার তাকে সাক্ষ্য না দিতে নিষেধ ও ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন। তিনি সাক্ষ্য দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে।’
ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওসমান গনি ও আবুল বাশারের জমি সংক্রান্ত মামলার জেরেই আনসার আলীকে মারধর করা হয়েছে। জনসমক্ষে এ ধরনের মারধর করা ঠিক হয়নি।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল বাশার বলেন, ‘শুক্রবার বাজারে বসে থাকার সময় আনসার পেছন থেকে এসে আমাকে ধাক্কা দেন। এ নিয়ে আমাদের দুজনের মধ্যে একটু হাতাহাতি হয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ছাত্রদলের ৩ নেতাকর্মীকে মারধরের অভিযোগে ছাত্রলীগকর্মী তাজ গ্রেফতার
দিল্লিতে যোগাযোগ করে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার
জামায়াত কি বিরিয়ানির ভাগের জন্য সরকারের বিরোধিতা করে: আবু হানিফ