প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিল নিয়ে জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারধরের উদ্দেশ্যে হলের গেটে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের কয়েকজনের হাতে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।
পরে প্রক্টর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা অস্ত্রগুলো লুকিয়ে ফেলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এরপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অবস্থানের খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিকেরা হলেন—আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, আমাদের টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান ও দৈনিক আমাদের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। এ ছাড়া আরও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
হামলায় জড়িত হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলমের নাম এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর হামলায় অংশ নেন।

‘মাদক সমাজদেহকে শেষ করে দিচ্ছে, ইশরাকের যা করা দরকার ছিল, তিনি তা করেছেন’: জামায়াত আমির
‘জোর গলায় জনগণকে বলতে পারবেন, আপনাদের নেতা, এমপি ও মন্ত্রীরা কমিশন খান না’
অতিথি তালিকায় নাম না থাকায় ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনে যাননি বিরোধীদলীয় নেতা: গোলাম পরওয়ার