বিপিসির অদক্ষতা
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকারিভাবে এলপিজি আমদানি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হলেও বিপিসি এক্ষেত্রে চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বারবার তাগিদ দেওয়া হলেও গত সাড়ে সাত মাসে এক কেজি এলপিজিও আমদানি করতে পারেনি সংস্থাটি।
তাদের বক্তব্য, পাঁচ দফা দরপত্র আহ্বান করলেও সরবরাহকারী পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে সরবরাহকারীরা আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া দাবি করায় সরবরাহকারী চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বিপিসি কর্মকর্তারা।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, বেসরকারি আমদানিকারকরা নিজেদের জন্য প্রতি টন এলপিজি ২০০ টাকা জাহাজ ভাড়ায় আমদানি করলেও বিপিসি সরবরাহের ক্ষেত্রে ২৭০ টাকার নিচে নামতে নারাজ। কারণ হিসেবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ক্ষেত্রে নানারকম ‘লুকায়িত ব্যয়’-এর কথা উল্লেখ করেন অভিজ্ঞরা।
মজুত বাড়ানোর উদ্যোগ
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামার পাশাপাশি দেশে এলপিজি সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ সরকারি কোম্পানির দুর্বলতা।
বাজার নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বিপিসির আওতাধীন এলপিজি গ্যাস লিমিটেড নামে একটি কোম্পানিও আছে। যদিও কোম্পানিটির বাজার হিস্যা দেশের মোট চাহিদার ২ শতাংশের কম। এর প্রধান কারণ কোম্পানিটির তেমন কোনো মজুত ক্ষমতা নেই। আশার দিক হলো, সমস্যা সমাধানে সরকার নতুন করে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে।
বাগেরহাটের মোংলায় ৬.৩৭ একর জমিতে ৮,২০০ টন এলপিজি মজুতের ট্যাংক তৈরির প্রস্তুতি চলছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও রাজাবাড়ীতে ৬.৯১ একর এলাকায় মজুত ও বটলিং প্ল্যান্ট স্থাপন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এবার পার্বত্য রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ঘোষণা
মতলবে উত্তরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ বৃদ্ধ গ্রেফতার
সরকারকে দুই মাসের আল্টিমেটাম দিলেন মাধ্যমিক শিক্ষকরা