বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
Logo
×

ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার মুহতামিমকে গণপিটুনি, উদ্ধারে গিয়ে ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত

Icon প্রথম সমাচার ডেস্ক

ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলে, ‘মাদ্রাসার হুজুর বিভিন্ন সময়ে আমার ওপর জোরপূর্বক নির্যাতন চালিয়েছেন। উপায় না পেয়ে বিষয়টি আমি পরিবারকে জানাই। পরে পরিবারের লোকজন এসে মাদ্রাসায় হুজুরকে আটকে রাখে।’

ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মৃত মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে ছেলেকে হাফেজ বানানোর উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় দিয়েছিলাম। অথচ সেখানে আমার ছেলে এমন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হলো। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খলিশাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বলেন, ‘মাদ্রাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।’

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়ার সময় জনতার হামলায় আমিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশের ওসিসহ আহত তিন পুলিশ সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

« বিস্তারিত কমেন্টে »
prothomsomachar.com