দিল্লিতে মেট্রো চলাচল ও বিভিন্ন সড়কে বিধিনিষেধ এবং ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দীপকে।সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি একজন স্বৈরশাসক। তিনি ভয় পেয়েছেন। সে কারণেই দিল্লি মেট্রো, সড়ক- সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের তরুণদের যদি তিনি এতটাই ভয় পান, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসে আছেন কেন?’
পরে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন দীপকে। তিনি প্রশ্ন করেন, মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কি দেশের জনগণের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করতে চান?
নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দীপকের ভাষায়, ‘জ্ঞানেশ কুমার কি তাদের এতটাই প্রিয় যে নিজেদের নাগরিকদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও সেনাবাহিনী নামিয়ে দিতে হবে?’
তিনি আরও দাবি করেন, সরকার তরুণদের নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোট দেবে কি-না, তা নিয়ে ভয় পাচ্ছে।
শনিবারের এই কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বিক্ষোভে ভাঙচুর-লুটপাটের শাস্তি বাড়াচ্ছে ইতালি
দিল্লিতে মোদির বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক মসজিদ খালি করার নির্দেশ
‘একসঙ্গেই শেষ করব’, ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কথোপকথনে কী ইরানে হামলার ইঙ্গিত?