ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভাইবোনের বিরোধ মীমাংসার পর তাদের বাবাকে দাফন করা হয়েছে।
হালিমা বেগমের অভিযোগ, বাবার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার ভাই ইদ্রিস আলী সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। এতে পৈতৃক সম্পত্তিতে নিজের প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাবার দাফনে সম্মতি দেননি বলেও জানান হালিমা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইদ্রিস আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক রেজাউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। পরে গ্রামের লোকজনের উদ্যোগে ভাইবোনের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং বিকেল পাঁচটার দিকে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

‘মৃত্যুদণ্ড হওয়া দুই বাংলাদেশির বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য দেয়নি সৌদি সরকার’
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশির মরদেহ গ্রহণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ ত্বরান্বিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর