আটকের পর অভিযুক্ত শহীদ আবদুল্লাহকে আদালতে হাজির করা হলে ডিএমপির রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, তরুণীকে শ্লীলতাহানির বিষয়টি স্বীকার করায় তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই পুলিশ সদস্যের নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, সেখানে উপস্থিত জনতার মারমুখী ও উত্তেজিত আচরণের কারণে ওই দুই সদস্য অভিযুক্তকে রক্ষা করতে সাহস পাননি। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করার ঘটনাটি অপরাধ এবং ওই যুবককে পুলিশ খুঁজছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকালে নিষ্ক্রিয় থাকা দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেবে।
ওসি আরও জানান, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তিনি একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। এমবিবিএস পড়ার সময় থেকেই তিনি মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পারিবারিক জীবনে তার বিয়ে হলেও অনেক আগেই তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন।

সিলেট এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় টমেটো চালান আটক
হিরো আলমের কাছে চাঁদা দাবি, সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
রিমান্ডে নেওয়ার আগে আনিসুল হক, ইনুসহ চারজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা