বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন।
এ সময় সম্ভাব্য হামলা ও জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি এবং তার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, প্রদর্শিত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দেওয়া লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এটি আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতি অনুযায়ী, ঘটনার পর গেণ্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।

ইশরাকের উদ্দেশ্য ভালো, বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে: সোহেল তাজ
চট্টগ্রামে জন্ম, ঢাকায় বসবাস-এমপি হতে ঠাকুরগাঁওয়ে খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য
কুষ্টিয়ায় লালনের মাজারে টাইম বোমাসদৃশ ডিভাইস উদ্ধার