জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, এনসিপি বর্তমানে চোর ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কারখানায় পরিণত হয়েছে জামায়াত।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে রাশেদ খান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অনন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্য মিলেও তার মেধা ও যোগ্যতার সমকক্ষ হতে পারবেন না। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে অন্যায়ভাবে তার ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’
শেখ হাসিনা সরকারের আমলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তৎকালীন সরকারের আমলে গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। অথচ সে সময় জামায়াতের কোনো নেতাকে রাজপথে নেমে এমন প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি।
এনসিপি নেতাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী অভিযোগ করেন, দলটির শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা ছাত্রজীবনে ল্যাপটপ চুরি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ছাগল চুরি এবং নানা নারী কেলেঙ্কারি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে এনসিপি সম্পূর্ণ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাদের নীতি এখন জামায়াতের পকেটে চলে গেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের যারা গালি দিয়েছিল, তারা এখন জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াত এখন ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগ সন্ধানীদের আশ্রয় দিয়ে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

’তারেক রহমান ও বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল, যারা ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে মূল্যায়ন করে’
এই সমাজ এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত: এ্যানি
আ. লীগের নেতারা মদ খায়, কর্মীরাও খায়, সব বাটপারের কারখানা: স্পিকার