রোববার রাতে হঠাৎ রানু ঘরের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো বটি দিয়ে তার মাকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই সেতারা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে রানু বটি হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন এবং ভেতর থেকে দরজা আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সেতারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রানুকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে দাগনভূঞা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটির মানসিক সমস্যা থাকতে পারে বলে মনে হয়েছে। তাকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে, চলতি বছরের ১০ মে দাগনভূঞার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ সুপারিন্টেন্ডেন্ট বাড়িতে মাদকাসক্ত ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লাকি বেগম (৪০) নামে এক নারী নিহত হন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্বামী ও মেয়ে। পরে অভিযুক্ত ছেলে রাফিকে (২১) স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

টঙ্গীর মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের মামলার তদন্ত চলছে দ্রুতগতিতে, চার্জশিট শিগগিরই
দুদকের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিলীপ আগরওয়ালাকে
মুঠোফোনে বিভিন্ন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি, স্ত্রী-সন্তানসহ আত্মগোপনে রয়েছেন রুমি