সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
Logo
×

টঙ্গীর মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের মামলার তদন্ত চলছে দ্রুতগতিতে, চার্জশিট শিগগিরই

Icon প্রথম সমাচার ডেস্ক

টঙ্গীর ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় প্রথম শ্রেণির শিশু নিপীড়নের মামলার তদন্ত চলছে দ্রুত গতিতে। রবিবারও পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজসহ তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছে। পুলিশ বলছে, খুব শিগগিরই চার্জশিট দেওয়া হবে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান এই তথ্য জানান।

ওসি আরো জানান, মামলার পর থেকে তদন্ত চলছে। আজও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

এসময় সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণাদি সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় স্বাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ শেষ হলেই চার্জশিট দেওয়া হবে। এই মামলার ভিকটিম আদালতে ২২ ধারায় জাবনবন্দি দেওয়ায় দ্রুততম সময়ে চার্জশিট দেওয়া যাবে। ঘটনাস্থল ও আপশাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও স্বাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ শেষ হলেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব। আশা করছি খুব শিগগিরই চার্জশিট দিতে পারব।

জানা গেছে, টঙ্গীর সফিউদ্দিন রোডের মধ্য আউচপাড়ার অভিযান ১৯৩ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত ক্বারীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় ২১ অক্টোবর শিশু নিপীড়নের ঘটনায় মামলা হয়। মামলার আসামি মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মো. মোসলেম আহমদকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালতে পাঠানোর পর প্রাথমিকভাবে জামিন না মঞ্জুর হয়।

শনিবার নিপীড়িত শিশু আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর পুলিশ জানায়, জবানবন্দিতে অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে।

এরপর রবিবার আবার আসামির জামিন চাইলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক ওমর হায়দার জবানবন্দি দেখে শুনানি শেষে জামিন না মঞ্জুর করেন।

অপরদিকে মাদরাসার অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরীর বাদী হয়ে করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, একদল লোক মাদরাসায় প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১৫ জনকে আসামি করা হয়। দুটি মামলাই তদন্ত করছে পুলিশ।

মামলার পর শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি সাংবাদিকদের বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। তিনি তার বিরুদ্ধে করা মামলা আইনিভাবে মোকাবেলা করার কথা জানিয়ে বলেন, আমার মেয়ে নিপীড়িত হয়েছে। আমি বিচার চাই। এই বিচার নিশ্চিতে তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

রবিবার দুপুরে ক্বারীউল কোরআন মাদরাসার অধ্যক্ষ ক্বারী মো. আলমাছ হোসেন গাজীপুরী বলেন, মামলার তদন্ত চলছে, পুলিশ আছে। এখন কথা বলা সম্ভব নয়।

আরও খবর লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

« বিস্তারিত কমেন্টে »
prothomsomachar.com