স্থানীয় বাসিন্দা আ. হক ও সোলাইমান মিয়া বলেন, খতিবের দায়িত্ব শুধু নামাজ পড়ানো নয়, সত্য কথা বলাও তার দায়িত্ব। তার বক্তব্যে কারও আপত্তি থাকলে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা যেত। এভাবে হঠাৎ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া ঠিক হয়নি।
অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করে খতিব মাওলানা মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করতে গিয়ে উদাহরণ হিসেবে ওই মন্তব্য করেছিলাম। মসজিদ কমিটির সভাপতি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় প্রতিহিংসাবশত আমাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মসজিদ কমিটির সভাপতি ফেরদৌস ভূঁইয়া। তিনি বলেন, খতিব জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এক বছর আগে এক ছাত্রদল নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে দোয়া করতে বললেও তিনি তা করেননি। এ ছাড়া মসজিদে রাজনৈতিক আলোচনা এবং গত জুমার খুতবায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠে। এসব কারণে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জে ঢুকতেই হেলমেট পরলেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা
স্থানীয় সরকার নির্বাচন জামায়াত-এনসিপি আলাদাভাবে করবে: সারজিস
আওয়ামী লীগ নেতারা কিন্তু আসা শুরু করেছেন: মির্জা আব্বাস