অপহরণ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের ক্ষেত্রেও পুলিশের কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেছে। তিন মাসে শিশু অপহরণের ১০টি মামলায় ১১ জন এবং ব্যক্তি অপহরণের চারটি মামলায় ৬ জনসহ মোট ১৪টি মামলায় ১৭ জন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া নিখোঁজসংক্রান্ত জিডির ভিত্তিতে আরও ৪৬ জনকে উদ্ধার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৮৬৮ পিস ইয়াবা, ১১৮ দশমিক ৫ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ ও ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ৪টি টমটম, একটি সিএনজি ও ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
অস্ত্র উদ্ধারের তালিকায় রয়েছে একটি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটার গান, একটি একনলা বন্দুক, একটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি ও একটি ছোরা। চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৫৪ বস্তা সার ও ২ হাজার পিস ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অভিযানে ১৭টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ।
এদিকে, তিন মাসে উখিয়া থানায় ২৬৩টি জিআর মামলা রুজু হয়েছে। এর বিপরীতে নিষ্পত্তি করা হয়েছে ২৫৭টি মামলা।
চলতি বছরের ৯ জুলাই উখিয়া থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন মো. আতিকুর রহমান মজুমদার। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে উল্লেখযোগ্য জনবল সংকট থাকার পরও মাদক কারবারি, অপরাধী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে দিন-রাত ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে উখিয়া থানার পুলিশ। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি থানার সেবা কার্যক্রমে দালালদের প্রভাব বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক নির্মূলে উখিয়া থানা-পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। আইনের প্রয়োগ সবার জন্য সমান থাকবে।
তিনি জানান, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ইতিমধ্যে উখিয়া থানাকে দালালমুক্ত করা হয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার
ফুলে সাজানো রিকশায় গ্রামপুলিশকে রাজকীয় বিদায়
মতলবে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার