সমাচার ডেস্ক, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভোরে সাহরি শেষে এক স্ট্যাটাস এ জামায়েত আমির লিখেন “ইনশাল্লাহ আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ”
মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় পোস্টি। এর আগে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলা ভাষার সাথে বিদেশি ভাষার শব্দের মিশ্রণ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুর এক সাক্ষাৎকারে বলেন— বর্তমানে একটা ছোট্ট অংশ ব্যবহার করছে ন্যায়ের বদলে ইনসাফ, মিমাংসার বদলে ফায়সালা, বিপ্লবের বদলে ইনকিলাব। এতে অদূর ভবিষ্যতে বাংলা ভাষা হুমকিতে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন।
এতেই ফুঁসে ওঠে নেটিজেনরা। বিকেলে এক আলোচনা সভায় এই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালেন নবনিযুক্ত জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু। তিনি বলেন — আজকালকার কিছু ছেলেমেয়েরা ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দেয়, এতে আমার ব্লিডিং হয়। কেননা ইনকিলাব, আজাদী এসব তো যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল তাদের ভাষা। এবং এটিকে তিনি এবসলিউট ফেইলিয়র অব টিচার বলে সম্বোধন করেন।
জ্বালানিমন্ত্রীর বক্তব্য আরো সরগরম হয় সামাজিক সাইটগুলো। এক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহও উপরিউক্ত বক্তাদের বিপরীতে লিখেন— ইনকিলাব জিন্দাবাদ। মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় তার স্ট্যাটাসটিও।
সবশেষ জামায়েত আমির ও বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমানও এই বিতর্কে অংশ নিয়ে এমন স্ট্যাটাস দেন। যা মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় নেট দুনিয়ায়।

সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ চুরি করলে ৩ বছরের জেল, ক্ষতি করলে ৫ বছর
চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এএসআই প্রত্যাহার