রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
Logo
×

সব শঙ্কা কাটিয়ে সংসদে আস্থা ভোটের অগ্নিপরীক্ষায় ঠিকে গেল বিজয়ের সরকার

ভারতের বিধানসভা নির্বাচন
Icon আন্তর্জাতিক প্রথম সমাচার

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে আজ এক নাটকীয় এবং ঐতিহাসিক দিন পার হলো। মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় বিধানসভায় অনুষ্ঠিত আস্থা ভোটে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে তাঁর সরকারের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করেছেন।

আজকের (১৩ মে, ২০২৬) এই গুরুত্বপূর্ণ ফ্লোর টেস্টে মোট ১৪৪ জন বিধায়ক বিজয় সরকারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যার বিপরীতে বিপক্ষে ভোট পড়েছে মাত্র ২২টি।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রধান বিরোধী দল ডিএমকে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করায় জয়ের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

২৩২ আসনের বিধানসভায় সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ১১৭টি ভোটের প্রয়োজন হলেও, ডিএমকে-র অনুপস্থিতিতে কার্যকর লক্ষ্যমাত্রা ৮৮-তে নেমে আসে, যা বিজয় সরকারকে স্বস্তিদায়ক অবস্থানে পৌঁছে দেয়।

এই জয়ে বিজয়ের নিজস্ব দল টিভিকে-র পাশাপাশি কংগ্রেস, বাম দল এবং ভিসিকে-র জোরালো সমর্থন ছিল। তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল এআইএডিএমকে-র অভ্যন্তরে বিশাল ফাটল।

এস. পি. ভেলুমানি এবং পি. থাঙ্গামানি শানমুগামের নেতৃত্বাধীন ৩১ জন বিদ্রোহী বিধায়ক দলের প্রধান পালানিস্বামীর জারি করা হুইপ অমান্য করে সরাসরি বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন।

এআইএডিএমকে-র মোট ৪৭ জন বিধায়কের মধ্যে এই বিদ্রোহী অংশটি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হওয়ায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতা থেকেও তাঁরা রক্ষা পাচ্ছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনৈতিকভাবে জয়ী হলেও বিজয়ের সরকারকে আজ জ্যোতিষী-বিতর্কের মুখোমুখি হতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে ‘অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি’ হিসেবে জ্যোতিষী রাধান পণ্ডিত ভেত্রিভেলকে নিয়োগ দেওয়ায় এমজেকে-সহ বিভিন্ন বিরোধী দল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।

শাসনকার্যে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রভাব নিয়ে ওঠা সমালোচনার মুখে মুখ্যমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত এই নিয়োগটি পুনর্বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে আস্থা ভোটে টিকে গেলেও সামনের দিনগুলোতে বিদ্রোহী বিধায়কদের প্রত্যাশা পূরণ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখাই হবে বিজয় সরকারের আসল চ্যালেঞ্জ।

সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

আরও খবর লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

« বিস্তারিত কমেন্টে »
prothomsomachar.com