বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
Logo
×

খামেনি এখনও বেঁচে আছেন, দাবি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রথম সমাচার ডেস্ক ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। ইসরায়েলি হামলার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সূত্র। তবে এনবিসি লাইভকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যতটুকু তিনি জানেন, খামেনি এখনো জীবিত।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে হামলা চালায়। তেহরান, কুম, ইসফাহান, কেরমানশাহ ও কারাজে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। হামলার লক্ষ্য ছিল সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, তেহরানে খামেনির কমপ্লেক্সে চালানো হামলায় তিনি আহত হয়ে থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য দেয়নি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়ে থাকতে পারেন। যদিও এই তথ্যও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছে এবং পশ্চিম ইরানের কেরমানশাহ এলাকায় একটি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে ইরান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে এবং তেহরানসহ বড় শহরের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কয়েকজন কমান্ডার নিহত হয়ে থাকতে পারেন, তবে সেটি বড় সমস্যা নয়। তিনি আরও জানান, তার জানা অনুযায়ী খামেনি জীবিত আছেন।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশটির সামরিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্তে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তার নিরাপত্তা ও অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা শুধু ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র : দ্য জেরুজালেম পোস্ট

শেয়ার করুন:
লিঙ্ক কপি হয়েছে
Loading
আরও নিউজ লোড হচ্ছে...