আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনের বরাতে দাবি করা হয়েছে যে সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি দিয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত, যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো স্পষ্ট নয়।
একই সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সূত্রে দাবি করা হচ্ছে যে ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে এবং এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বলা হচ্ছে, ইরান তার বিরুদ্ধে আক্রমণের জবাবে এমন দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে এই ধরনের পাল্টা প্রতিক্রিয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সংঘাত বিস্তৃত আকার ধারণ করে, তাহলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং জ্বালানি সরবরাহ, সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক মহল সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তিগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংঘাত প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
