প্রথমবারের মতো ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে ২৮ ফুটবলারকে নিয়ে চলছে জাতীয় দলের প্রস্তুতি। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় আগামী ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে ৫ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসিয়ান কাপ ফুটবল আসর। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাংলাদেশ দল ঢাকা ছাড়বে ১৯শে সেপ্টেম্বর। বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সদস্য ও জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৫শে সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। এরপর ২৮শে সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর এবং ১লা অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে লাল-সবুজের দল। প্রতিযোগিতার প্রিমিয়ার ডিভিশনে অংশ নেবে মোট আটটি দল। দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো।
গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্টের ভিত্তিতে দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনালে। অন্য দলগুলো খেলবে স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। ফলে ফাইনালে উঠতে না পারলেও গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের পর আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশসহ অন্য দলগুলোর। আসিয়ান কাপের প্রস্তুতির জন্য কোচ টমাস ডুলির ঘোষিত প্রাথমিক স্কোয়াডে নেই বিদেশি লীগে খেলা বাংলাদেশের ফুটবলাররা। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলছেন হামজা চৌধুরী। এ ছাড়া ফাহমিদুল, শমিত সোম ও তারিক কাজীরাও নিজ নিজ ক্লাবে ব্যস্ত। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ফিফা উইন্ডো শুরু হওয়ার আগে এদের পাচ্ছেন না ডুলি। ফলে আসিয়ান কাপের প্রস্তুতিতে দেশীয় ফুটবলারদের ওপরই বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে এই জার্মান কোচকে। এদিকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ট্রায়ালে এসেছেন দীর্ঘদেহী গোলরক্ষক সাইফ কেরাওয়ালা। তাকে নিয়ে আশাবাদী জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন গোলকিপার আসছে, সে ৬ ফুটের বেশি লম্বা। এখানে সে অনুশীলন করছে এবং খুব ভালো অনুশীলন করছে। আমরা আশা করছি, সে ভালো কিছু করবে। তার কাছ থেকে আমরা ভালো কিছু প্রত্যাশা করছি।’ সাইফের পাশাপাশি আরও কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার জাতীয় দলে ট্রায়ালের জন্য আসছেন, যদিও তাদের নাম জানা যায়নি।
ফুটবল দল জাকার্তা যাবে ১৯শে সেপ্টেম্বর
