এনসিপির শুরুর দিকে সালাউদ্দীনকে নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। ৪০০ কোটি টাকার ও-ই অভিযোগ দুদক আজ নিষ্পত্তি দেয়। কিন্তু দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা পায়নি দুদক।
এতে হাসনাত আবদুল্লাহ তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেন—
“এনসিপিকে সবচেয়ে বেশি দূর্নীতি নিয়ে ট্রায়ালে ফালানো হয়েছে গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে নিয়ে। এখন করা হচ্ছে আসিফ মাহমুদকে নিয়ে। সামনে আরো করবে। এক অনলাইন পোর্টালের বরাতে গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের বিরুদ্ধে ৪০০ কোটি টাকার দূর্নীতির এক অভ্রচটি লিখে নিউজ করেছিল। পুরো দেশ নড়ে উঠলো। এনসিপিকে দেশের মধ্যে এক মহাদূর্নীতির আতুড়ঘর হিসেবে পোর্টে করা হলো। পিআর প্রেশারে গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে বহিষ্কারও করেছিল এনসিপি। অথচ সেই গাজী সালাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ১ টাকার দূর্নীতিও পাইনি দুদক। ইন্টেরিমের দুদক না। বিএনপি শাসনামলের দুদক তাকে দায়মুক্ত করেছে। তার পাসপোর্ট সসম্মানে ফেরত দিয়েছে।
আপনি জাস্ট চিন্তা করেন, শুধু শুধু একটা লোককে পুরোবছর জুড়ে হেয় করা হলো। একটা দলকে একটাবছর ধরে দূর্নীতিগ্রস্ত বানানোর নোংরা খেলা হলো। কিন্তু তদন্তে জানা গেলো সবমিথ্যা। মাঝখানে প্রতিটাদিন দল এবং এই লোকটা সমাজে হেয় হলো। পলিটিকালি লোকটার ক্যারিয়ার অনেকটা ধ্বংসের দারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হলো। অথচ তিনি কোনো অপরাধই করেননি। দলের উচিত এই বিষয়টাকে ক্যাচ করা। তাদের উপর হওয়া এই জুলুমের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা।
মিডিয়া সন্ত্রাসদের বিরুদ্ধে জিতে যাওয়ায় গাজী সালাউদ্দীন তানভীরকে অভিনন্দন।”
