এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকল্পটিতে বিনিয়োগের প্রচার চালানো হচ্ছে। প্রচারণায় একে বাংলাদেশের ‘হালাল ট্যুরিজম’ প্রকল্প হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে প্রকল্পটির শেয়ারের মালিক হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও প্রচার করা হচ্ছে।
তবে প্রকল্পের স্থানীয় প্রতিনিধি মো. মনির মুসুল্লী বলেন, ‘এটি একটি বড় প্রকল্প। এ প্রকল্পের জন্য আমরা ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়েছি। তা ছাড়া আমরা ইতিমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরেও ভবন নির্মাণের অনুমতি চেয়ে আবেদনপত্র জমা দিয়েছি। এমনকি কুয়াকাটা পৌরসভা থেকেও অনাপত্তিপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।’
নির্মাণকাজ বন্ধের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘এরপরও দোষ ধরলে অনেক কিছুই ধরা যায়। সবকিছু মিলিয়ে এখন আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, এখানে বড় রাজনৈতিক খেলা রয়েছে।’ তবে তাঁর এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান বলেন, কুয়াকাটা পর্যটন এলাকার নির্ধারিত মৌজাগুলোতে জমি কেনাবেচা ও স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বিধান রয়েছে।
কিন্তু ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড জমি কেনার আগে জেলা প্রশাসক এবং স্থাপনা নির্মাণের আগে বিভাগীয় কমিশনারের অনুমতি নেয়নি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির নামে জমির নামজারি নেই। কুয়াকাটা ট্যুরিজম সেন্টারের ২০২৪ সালের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমির দাগ প্রস্তাবিত রেললাইন ও রেলস্টেশন জোনে পড়েছে।

গত ২ বছরে বিএনপির বেপরোয়া রাজনীতিতে দেশবাসী অতিষ্ঠ : সাদিক কায়েম
বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই আ.লীগ ইনডেমনিটি আইন পাশ করেছিল: রিজভী
মিয়া গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছে: রাশেদ খাঁন