ঠিকাদার সাইফুর রহমান রতন জানান, তিনি রাতুল এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন তিনি। শনিবার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার দৌলতপুর ধলিয়া আবদুর রৌপ মেম্বারের বাড়ির দরজা সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন কামরুল হাসান মাসুদ।
তিনি আরও বলেন, দুটি সড়কের দুই কোটি ৮ লাখ টাকার কাজের বিপরীতে ৫ থেকে ৭ শতাংশ হারে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে কাজ করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
রতনের অভিযোগ, এর আগেও ফেনী শহরের এসএসকে সড়কে তাকে মারধর করেন মাসুদ। শহরের বড় বাজারে ঠিকাদার সাইফুলের দোকানের কাছে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে।
সম্প্রতি ফেনী সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের চরহুজুরী সড়কের সংস্কারকাজ শেষ করার পরও মাসুদ ও তার সহযোগীরা কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন রতন। সে সময় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে দাবি করেন।
এদিকে স্বপন হার্ডওয়্যারের স্বত্বাধিকারী এনায়েত উল্যাহ স্বপনও কামরুল হাসান মাসুদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, তিন দিন বিভিন্ন স্থানে ঠিকাদারি কাজের জন্য তার কাছে চাঁদা দাবি করেন মাসুদ। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে মারধর করা হয়।
স্বপনের অভিযোগ, ঠিকাদারি কাজের শিডিউল কিনতে গেলে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেনের সঙ্গেও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মাসুদ গালাগাল এবং পৌরসভায় তাকে মারধরের চেষ্টা করেন।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, চাঁদার দাবিতে সড়কের কাজে বাধার ঘটনায় দুই ঠিকাদার আদালতে দুটি মামলা করার খবর পেয়েছি। আদালত তদন্তের জন্য দিলে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেব।

গত ২ বছরে বিএনপির বেপরোয়া রাজনীতিতে দেশবাসী অতিষ্ঠ : সাদিক কায়েম
বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই আ.লীগ ইনডেমনিটি আইন পাশ করেছিল: রিজভী
কুয়াকাটায় জামায়াতের এমপির রিসোর্টের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন