আরাঘচি যোগ করেন, “এটি সর্বজনীনভাবে স্বীকার করে নেওয়ারই প্রমাণ যে, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা হয় কমে গেছে, নয়তো একেবারে হারিয়ে গেছে।”
বিশ্ব মোড়লদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “কিছু দেশ নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন আন্তর্জাতিক সংস্থা, আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবজাতির বিবেককে তোয়াক্কা না করে পার পেয়ে যাওয়ার অধিকার কেবল তাদেরই আছে। তারা নিজেদের এবং তাদের সহযোগীদের বিচারহীনতার সুযোগ তৈরি করে নেয়।”
পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিচারিতার চরম সমালোচনা করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ফলস্বরূপ, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে জায়নবাদী শাসনের মতো একটি অপরাধী সত্ত্বাকে তাদের ইচ্ছেমতো যেকোনো অপরাধ করার অবাধ ছাড় দেওয়া হয়েছে। অথচ যেসব পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশ নিজেদের মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক হিসেবে দাবি করে, তারা সম্পূর্ণরূপে নীরব ভূমিকা পালন করছে।”

‘সাবাশ বাংলাদেশ!’ এবার ময়ূখের কণ্ঠে উল্টো সুর, প্রশংসায় ভাসালেন বাংলাদেশকে
হুতিদের হামলার শঙ্কা, মার্কিন কর্মীদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন কাবার ইমাম শায়খ বালিলাহ