বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের চার কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলো থেকেও কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হতে পারে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালালে ওই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক কূটনীতিককে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের কয়েকজনকে আবার ওই অঞ্চলে ফিরিয়ে নেয়া হয়।
এদিকে সৌদি থেকে মার্কিন কর্মীদের সর্বশেষ এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি। এর ফলে ইরান যুদ্ধের মাধ্যমে শুরু হওয়া আঞ্চলিক সংঘাতে নতুন আরেকটি রণক্ষেত্র যুক্ত হয়েছে। এই সংঘাত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাণিজ্যে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলার পর সৌদি আরবে হুতিদের আরও হামলার আশঙ্কায় বুধবার রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদিতে যেসব অবকাঠামোয় একের পর এক হামলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রিয়াদের বিমানবন্দরও রয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের মার্চের শুরুর দিকে ওই দূতাবাস ও সেখানে অবস্থিত মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) একটি কার্যালয়েও ড্রোন হামলা হয়েছিল। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালিয়েছিল ইরান।

সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন কাবার ইমাম শায়খ বালিলাহ
ফ্রান্সের বিক্ষোভে মুখে মুখে ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগান
সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড ও মক্কা চুক্তি: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অধিকারের প্রশ্ন