সরিষা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নূর আহাম্মদ ওরফে মিলন মিয়া বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না; কাছের একটি চায়ের দোকানে ছিলেন। সেখান থেকে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হতে দেখেছেন। তার দাবি, শাহীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেই পুলিশ তাকে ধরতে গিয়েছিল। তার ভাষ্য, রাজনৈতিক কারণে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ ঘটনায় তার নাম জড়ানো হচ্ছে।
সরিষা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হারুন অর রশিদ স্বপনও অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে এ ঘটনায় তার নাম জড়ানো হচ্ছে। তিনি পুলিশকে বারবার আটক ব্যক্তিকে নিয়ে যেতে বলেছেন।’
আঠারবাড়ী রায়েরবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি একটি বিশেষ অভিযানে আছেন। বিষয়টি ওসিকে জানানো হয়েছে। পরে কথা বলবেন।’
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘রিয়াজুল মাদকসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাকে পালাতে সহযোগিতা করেন।’
তবে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া বা গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি। ওসি জানান, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

সরকারের একের পর এক অনিয়মের বিরুদ্ধে বিরোধী দল নীরব থাকতে পারে না: জামায়াত আমির
গণমাধ্যমই ফ্যাসিস্ট তৈরি করতে সহায়তা করেছে: জামায়াত আমির
৭১ এর ভূমিকার জন্যই জামায়াত বর্তমানে আওয়ামী লীগের সমর্থন চায়: রিজভী