মেলার একটি স্টলের কর্মচারী রিফাত রহমান বলেন, ‘মেলা বন্ধের ঘোষণা আসার পর আমরা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে চলে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মেলা কমিটি আমাদের বাধা দেওয়ায় আমরা চলে যেতে পারিনি।’
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আরফান আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করছি।’

আন্দোলনের বদলে সংসদে এসে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান চিফ হুইপের
‘দুই-তিনবার খারাপ ফল করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ করা হবে’
গার্মেন্টস সেক্টরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি