ছেলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে এমন এক সন্তান দিয়েছেন, যার চেহারা, কণ্ঠ, কথা বলা, আচার-আচরণ—সব দিকেই আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। আল্লাহ তাঁকে বিশেষ কুদরতে তৈরি করে আমাকে দান করেছেন। কিন্তু আমি তার মূল্য বুঝিনি। এটা আমার বড় ব্যর্থতা। জীবনে বড় ভুল করেছি। মানুষও আমাকে ছি ছি করে- এমন একটা সন্তান, আর তুমি তার বিরুদ্ধে কথা বলো!’
তাশরীফের বাবা জানান, তাঁর স্ত্রী ছেলের বিষয়ে তাঁকে বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আজকে যখন আমি বাড়িতে গেলাম, আমার ওয়াইফ তার সৎমা হওয়া সত্ত্বেও বলল, তোমার সন্তান আজকে তোমাকে না দেখলেও পাঁচ বছর পরে হলেও তোমার পাশে দাঁড়াবে। এই সন্তানের বিরুদ্ধে তুমি কথা বলো কেন? কারণ কী? আজকে তোমার কোনো বিপদ হলে তো সেই আসবে, আর কেউ আসবে না। আমি তোমার ভাতই খাব না।’
তিনি বলেন, ‘তার এই কথা শুনে আমার টনক নড়ে গেছে। যে কিনা তার উদরের সন্তান না, তাকে নিয়ে সে কত ভাবছে। অথচ আমার ঔরসে জন্ম নেওয়া সন্তান সম্পর্কে আমি কত কী বলে ফেলেছি! তাহলে আমি কোথায়, আর সে কোথায়!’
এসব ভেবে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি জানিয়ে তাশরীফের বাবা বলেন, ‘তাই ভাবলাম, টাকা বড় কথা না। আমি দোয়া করি, আমার ছেলে যেন আরও বড় হয়।’
দেশবাসীর কাছেও ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে এমন একটা নেক সন্তান দান করা সত্ত্বেও আমি শয়তানের চক্করে পড়ে এমন একটা কাজ করে ফেলেছি। তাই আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে আরও উচ্চ মাকাম দান করেন। আর আমিও যেন আমার সন্তানের বিরুদ্ধে আর কোনো দিন কোনো ধরনের কথা না বলি, আল্লাহ আমাকে সেই তাওফিক দিন। আমাকে যেন বড় শয়তানে ধরেছে, আল্লাহ যেন আমাকে সেই শয়তান থেকে হেফাজত করেন।’

টোকিওতে হাসপাতাল, নার্সিং সেন্টার ও জাদুঘর পরিদর্শন ডা. জুবাইদা রহমানের
১১ বছরের মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদরাসাশিক্ষক
জাপান সফর শেষে আজ রাতে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী