প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জামায়াতের প্রার্থী বলেন, তাদের অভিযোগের ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে। তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্বাচনী বৈঠকে চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। অভিযোগের ক্ষেত্রে দল-মত নির্বিশেষে একই মানদণ্ড অনুসরণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ভোটারদের ভোটাধিকার রক্ষার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভোটাররা কোনো চাপ বা ভয়ভীতি ছাড়াই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন বর্জনের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা নির্বাচন বর্জন করতে আসেননি; প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এবং শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে চান। প্রশাসনের প্রস্তুতির কথা বিবেচনায় তারা এখনো আস্থা রাখছেন। তবে ১৯৯৪ সালের মাগুরা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভোটার উপস্থিতি নিয়েও উদ্বেগের কথা জানান জামায়াতের এই প্রার্থী। তার মতে, উপনির্বাচন হওয়ায়w ঢাকার বাইরে থাকা অনেক ভোটারের আগ্রহ কম থাকতে পারে। পাশাপাশি বাড়িতে গিয়ে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগের কারণে ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসতে পারবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
সংখ্যালঘু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপির অভিযোগের জবাবে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, এ অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপদে ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব ভোটারকে নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াতের প্রার্থী বলেন, এই নির্বাচন শুধু একটি আসনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের বিষয় নয়, বরং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠারও পরীক্ষা। দলীয় সরকারের অধীনেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব আগামীকালের ভোটের মাধ্যমে সেই দৃষ্টান্ত স্থাপনের দায়িত্ব প্রশাসনের।

স্পেনে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় জামায়াতে আমিরের শোক
আ. লীগ সরকার গায়েব করা ২৮ অক্টোবরের মামলা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে: শিবির সভাপতি
ফেসবুকে অপপ্রচার না করে জনগণের পাশে দাঁড়ান: আমিনুল হক