অন্যদিকে, মুক্তিযোদ্ধার প্রথম স্ত্রীর বড় ছেলে সোহেল রানা বলেন, হামিদা বেগম তাঁর বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সোহাগ মিয়া তাঁদের সৎ ভাই। জমিজমা ভাগের সময় সোহাগের অংশ রাখা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
টালকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর মহিউদ্দিন বুলবুল জানান, তথ্য যাচাই-বাছাই করেই হামিদা বেগম ও তাঁর ছেলের নামে ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হয়েছে। নকলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খোরশেদুর রহমান বলেন, সাইফুল ইসলাম তাঁর প্রতিবেশী ছিলেন। হামিদা বেগম তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তাঁদের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। পরিবারটি যেন ন্যায্য অধিকার ফিরে পায়, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

রংপুরে ৯ মাসেও সংস্কার হয়নি যে সড়ক, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে মাত্র পাঁচ দিনেই তা সম্পন্ন
প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ ৪ দাবিতে ৩০ নভেম্বর রংপুরে হরতাল
আগামীকাল চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা