এর আগে মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে জুয়েল ও শাহেদের অনুসারীদের মধ্যে মারামারি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জুয়েলকে মারধর শুরু করেন শাহেদ। পরে আত্মরক্ষার জন্য জুয়েল হাসপাতালের ভেতরে গেলে সেখানেও তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন। তবে হাসপাতালের ভেতরে হামলা বা মারামারির ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে কিংবা তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইজিপির বক্তব্যে ফ্যাসিস্ট আমলের পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত: জামায়াত
চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে কৃষকদের সংকট বাড়ছে: আখতার হোসেন
কুমিল্লায় জামায়াত কর্মী ইউসুফকে পিটিয়ে হত্যা