তরুন নেতৃত্ব ও যুব উন্নয়নের জন্য লালমনিরহাট সদর উপজেলার কৃতি সন্তান মিনহাজুল ইসলাম বাপ্পি ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন।
৩০ অক্টোবর ২০২৬ (শুক্রবার) বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে -এ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ড্যাফোডিল কমপ্লেক্সের ৭১ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। “শেরে বাংলার কর্মময় জীবন” শীর্ষক আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
সম্মাননা প্রদান করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস. এম. মজিবুর রহমান, ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, সাবেক সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান এবং শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মাশহুর মোর্শেদ, একুশে পদকপ্রাপ্ত ও বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরা, বিশিষ্ট মিডিয়া ও নাট্য ব্যক্তিত্ব আজিজুল হাকিম, মাই ফ্রেশ ওয়াটার টেকনোলজিস ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাউথ এশিয়া সোশ্যাল এডুকেশন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মোঃ লিয়ন চৌধুরী, চিত্র নায়িকা ফারজানা ছবি।
এবারের আয়োজনে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, সাহিত্য, গণমাধ্যম, চিকিৎসা, সমাজসেবাসহ ২০টি ক্যাটাগরিতে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে তরুণ নেতৃত্ব ও যুব উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে যুব লিডার হিসেবে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাপ্পিকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
২০১৮ সাল থেকে ‘বাপ্পি’ সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধ থেকে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। শিক্ষা জীবনের পাশাপাশি স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, জনসচেতনতা সৃষ্টি, যুব উন্নয়ন, খাদ্য ও পুষ্টি, রক্তদান, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানবিক সহায়তায় ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখছেন।
এছাড়াও শিশু ও যুবদের নিরাপদ ইন্টারনেট বিষয়ে স্কুল কলেজে সেশন নেন। তার নিজস্ব একটি স্বাস্থ্য বিষয় প্রজেক্ট ‘১০ টাকায় পুষ্টিকর খিচুড়ি’ বেশ সাড়া ফেলেছে।
বর্তমানে ‘বাপ্পি’ সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগে গ্রিন ইউনিভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এছাড়াও সহ সম্পাদক হিসেবে আমাদের নামে গণমাধ্যম কাজ করছেন।
সম্মাননা প্রাপ্তির পর বাপ্পি বলেন, আমার স্বেচ্ছাসেবী কাজের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের দরিদ্র, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণদের মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি মানবিক, সচেতন ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই। ভবিষ্যতেও সাংবাদিকতা, যুব নেতৃত্ব ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের কথা তুলে ধরা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নেওয়াই আমার লক্ষ্য।

মসজিদে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২০
সিলেটে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের মতবিনিময়
কবি-সাহিত্যিকদের রাষ্ট্র পছন্দ করে না: সাবেক সচিব