উল্লেখ্য, গত ১২ ই অক্টোবর পোশাক শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনকে দিন দিন ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করে একটি মহল। যদিও শ্রমিকদের এই দাবিটির বিষয়ে শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃক বৈঠক হয়েছে। চলতি মাসে এই বিষয়ে গেজেট প্রকাশ হওয়ার কথাও রয়েছে। উত্তরা বিভাগ পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পরেও বিক্ষিপ্ত শ্রমিকরা অদৃশ্য কোন এক ইশারায় মহাসড়ক দখলে নেয়। পুলিশের দাবি, শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরে যেতে বললে বিশেষ কোন মহলের ইন্দনে গত শনিবার পুলিশের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ক্রমিকরা। ফলে পুলিশ বাধ্য হয়ে টিয়ারসেল ও জলকামান ব্যবহার করে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় পথচারী, পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন হতাহতের খবর পাওয়া যায়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উত্তরা বিভাগে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা যায়।
উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মোর্শেদ জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্তের চেষ্টা চলছে।
একদিকে সহিংসতায় লন্ডভন্ড উত্তরা অন্যদিকে গ্রেপ্তার আতঙ্কের ঘর ছাড়া হাজার হাজার শ্রমিক। এভাবে চলতে থাকলে গার্মেন্ট শিল্পের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে এমন শংকায় শিল্প মালিকরা। কাজেই সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পোশাক শিল্প ফিরে পাক তার পূর্বের ঐতিহ্য এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

থানায় ঢ়ুকে তিন পুলিশকে পেটানোর অভিযোগে আসলাম গ্রেপ্তার
হত্যাচেষ্টা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা চার দিনের রিমান্ডে
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকির গ্রেপ্তার