নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটায় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) কচুকাটা খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমলোচনা।
‘লাখ টাকা প্রাইজমানি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ শীর্ষক এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও নীলফামারী বার কাউন্সিলের জিপি অ্যাডভোকেট আবু মো. সোয়েম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, কচুকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি আবু তাহের, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কচুকাটা ইউনিয়ন আমির ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাই।
এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সন্তোষ কুমার রায়।
এ বিষয়ে কচুকাটা খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও কচুকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের বলেন, কে কোন দল করে সেটি আমার দেখার সময় না। উনি ক্লাবের সদস্য এটি বড় কথা। আওয়ামী লীগ হলে কী ক্লাবের সদস্য হতে পারবে না। আমরা নিরপেক্ষ ক্লাব বানিয়েছি।
নীলফামারী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সন্তোষ কুমার রায়ের মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও নীলফামারী বার কাউন্সিলের জিপি অ্যাডভোকেট আবু মো. সোয়েম বলেন, আমি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আমাকে জেলার যে কোন খেলায় দাওয়াত দিলে আমাকে যেতে হবে। সেখানে খেলা কমিটির কাকে দাওয়াত দিয়েছে সেটি তো আমি খুজতে যাবো না সেটি খেলা কমিটির বিষয়।

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ৮০ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছে: কর্নেল অলি
নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের চালু করা অপসংস্কৃতি, জামায়াত শিবিরও চর্চা করছে: আবু হানিফ
দ্রব্যমূল্যের চাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির কারণে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে: জামায়াত আমির