অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে সিরাজুল ইসলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের ক্ষতি করেছেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য প্রয়োজন।
অভিজ্ঞ মহলের মতে, নগর পরিকল্পনা বিভাগ একটি সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন, ভূমি ব্যবহার, অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিকল্পিত নগরায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ বিভাগের শীর্ষ পদে যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তার পরিবর্তে বিতর্কিত নিয়োগের অভিযোগ অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে নগর উন্নয়ন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর প্রভাব নাগরিক সেবা ও পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার ওপরও পড়তে পারে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের পদে নিয়োগ ও দায়িত্ব প্রদানের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। মো. নজরুল ইসলামের অভিজ্ঞতার সনদ, নিয়োগের সময় জমা দেওয়া নথিপত্র এবং তাঁর যোগ্যতা যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের দীর্ঘদিনের দায়িত্ব পালন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

সার্বিয়ায় কর্মী পাঠানোর ছাড়পত্রে বিএমইটির তাজিম-উর-রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলের সাবেক কানুনগো খলিলুরের বিরুদ্ধে ঘুষ ও আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ
গণপূর্তে লটারি নিয়ে বিতর্ক: বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি