বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ৩১ ধারা অনুযায়ী, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে অর্থ গ্রহণ এবং অবৈধভাবে বিদেশে কর্মী পাঠানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে বিএমইটির ভেতরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এসব জালিয়াতির তথ্য জানা সত্ত্বেও নিজেদের আর্থিক সুবিধার জন্য দ্রুততার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফাইলের ছাড়পত্র দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, দালাল চক্রগুলো আইটি খাতে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়ে সাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, নথিপত্রে গুরুতর জালিয়াতি এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকায় সার্বিয়ার কঠোর অভিবাসন আইনের আওতায় যেকোনো সময় এসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা বাতিল হতে পারে। এতে কর্মীরা অবৈধ অবস্থায় পড়ার পাশাপাশি সার্বিয়ান পুলিশের হাতে আটক হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের নজরদারি এড়িয়ে বিতর্কিত কোম্পানিটির ফাইল অনুমোদনের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিএমইটির মহাপরিচালক এবং ক্লিয়ারেন্স শাখার পরিচালক মো. তাজিম-উর-রহমানসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁদের কেউই ফোন ধরেননি। তাঁদের ফোনে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে খুদে বার্তা বা এসএমএস পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশে গিয়ে আর্থিক ক্ষতি বা গুরুতর আইনি জটিলতায় পড়ার আগেই যেকোনো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ফাইল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন মন্ত্রণালয় ও বিএমইটির কেন্দ্রীয় সার্ভারে বৈধভাবে রয়েছে কি না, তা দেশ ছাড়ার আগে সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা দরকার।

জাল সনদে চাকরিতে ঢুকে নজরুল এখন ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ
তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলের সাবেক কানুনগো খলিলুরের বিরুদ্ধে ঘুষ ও আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ
গণপূর্তে লটারি নিয়ে বিতর্ক: বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি