তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে অতীতের অনিয়ম ও লুটপাটের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।
রিজভী বলেন, দেশে শতভাগ বিদ্যুতের কথা বলা হলেও প্রত্যন্ত অঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আবার অনেক দরিদ্র পরিবার বিদ্যুৎ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করে। তাই শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ দিয়ে হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণ করা কঠিন।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণের ক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। এ বিষয়ে আয়োজকদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণার মাধ্যমে নতুন ধারণা ও প্রশ্ন উঠে আসা প্রয়োজন। কোনো পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত সত্য ধরে না নিয়ে তা যাচাই-বাছাই করা জরুরি।
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আগ্রহী। নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চলছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহসহ সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দেশ এগিয়ে যাবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রিজভী বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিটি খাত ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের প্রতিটি কাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকতে হবে। কোনো খাতই জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না।
ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম. শামসুল আলম, গবেষণার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রামে এবার দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের সমর্থন ছাড়ার ঘোষণা, ভিডিও ভাইরাল
গত ২ বছরে বিএনপির বেপরোয়া রাজনীতিতে দেশবাসী অতিষ্ঠ : সাদিক কায়েম
কুয়াকাটায় জামায়াতের এমপির রিসোর্টের নির্মাণকাজ বন্ধ করল প্রশাসন